মোবাইল ফোনের স্পিড বাড়ানোর সহজ ও কার্যকরী উপায়।
মোবাইল রিভিউ & টিপস

মোবাইল ফোনের স্পিড বাড়ানোর সহজ ও কার্যকরী উপায়।

মোবাইল ফোন কিনে কিছুদিন ব্যবহার করার পর মোবাইলের স্পিড কমে যায়, কখনো হ্যাং করে, যতো দামী ফোনই হোক না কেন। বেশি বাজেটের মোবাইলে একটু কম সমস্যা হয়। তবে মোবাইলে কিছু ফাংশন পরিবর্তন করে আপনার মোবাইল নতুনের মত স্পীড পাওয়া সম্ভব। 

কথা বলুন

মাত্র ৩৩ পয়সা মিনিট , যে কন নম্বরে। নিজের নম্বর গোপন রেখে।

মোবাইলে স্লো হওয়ার জন্য বেশি দায়ি মোবাইলের ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা। ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা অন করা থাকলে মোবাইলের ডাটা অন করা মাত্রই ইন্টানেট ব্যবহার না করা সত্বেও মোবাইলের ডেটা খরচ হতে থাকে। তখন ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা এপস গুলোর নোটিফিকেশন আসতেই থাকে আর মোবাইল হ্যাং এর মতো হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা অফ করে দিলে আর সমস্যা হয় না। অফ করার জন্য মোবাইলের সেটিংস এ গিয়ে অ্যাকাউন্ট অপশনে যাবেন, সেখান থেকে অটো সাইন ইন ডেটা অফ করে দিন ।

 

আপনার মোবাইলে আর একটি গুরুত্বপূর্ন অপশন হলো ডেভেলপার অপশন।  খুজে না পেলে আপনার ফোনের অ্যাবাউটে গিয়ে  বিল্ড নাম্বার অপশনে ৪-৫ বার ট্যাপ করবেন। ডেভেলপার অপশন ওপেন হবে। এইবার ডেভেলপার অপশনে গেলে নিন্মোক্ত অপশনগুলো দেখতে পাবেন।

 

Windows Animation Scale,

 

Transition animation scale,

 

Animator Duration Scale

 

এখনে এই তিনটি অপশনের সবগুলো  ০.৫ সিলেক্ট করে দিবেন।  চাইলে অফও করে দিতে পারেন তবে ০.৫ এ রাখাটা বেটার।

ডেভেলপার এর আরেকটি অপশন হলো Background Process Limit .

এক সাথে কতগুলো অ্যাপ ব্যাবহার করলে স্বাভাবিকভাবেই মোবাইলের র‌্যামের উপর বেশি চাপ পড়ে। ফলে মোবাইলের অনেক বেশি রিসোর্স নষ্ট হয় এবং ফোন স্লো হয়ে যায়। তাই  Background Process Limit 4 করে দিলে এই সমস্যা অনেকাংশে দূর হয়। তবে মোবাইলের ধরন অনুযায়ি এর চেয়ে কমবেশি করা যেতে পারে। 

 

অটো আপডেট  বন্ধ করে রাখতে হবে।  এর জন্য প্লে-স্টোর এ গিয়ে সেটিংস এ যাবেন এবং সেখানে গিয়ে অটো আপডেট অফ করে বা wifi only সিলেক্ট করে দেওয়া যেতে পারে।

 

   মোবাইলে কোন অ্যানিমেশন থাকলে তা অফ করে দেওয়াই ভালো। ওয়ালপেপারে আইকন যত কম রাখা যায় ততো ভালো।

ফোনের সাথে থাকা ডিফল্ট ক্লিনার দিয়ে নিয়মিত ক্লিন করা উচিত। তবে হ্যাঁ,  অনলাইনে ফ্রিতে যেসব ক্লিনার অ্যাপস পাওয়া যায় সেগুলো ভুলেও ব্যবহার করবেন না। এসব এপস মোবাইলে এ্যাডের ভান্ডার ডুকিয়ে দেয়। মোবাইলের অ্যান্ডয়েড ফোল্ডারে গিয়ে দেখবেন, সেখানে chached data থাকে, সেগুলো নিয়মিত ডিলিট করতে পারেন।  

আরও পড়ুন| ইনকাম করুন মোবাইল দিয়ে। 

মোবাইলে লঞ্চার, থিম ব্যাবহার করলে মোবাইল স্লো হয়ে যায়।  মোবাইল ফোন সবসময় আপডেট করুন।  মোবাইলের সিকিউরিটি আপডেট যদি আসে তাহলে অবশ্যই আপডেট করে নেয়া উচিত। 

মোবাইল reboot করলে মোবাইলের টেম্পোরারি ফাইলস ডিলিট হয়, ফলে মোবাইল ফাস্ট হয়ে যায়।

 পাশাপাশি মাঝেমাঝে মোবাইল reset দিন। মোবাইল এক্সপার্টদের মতে ৮-৯ মাস পর পর মোবাইল রিসেট মারা ভাল। এতে মোবাইলের পারফরম্যান্স ভাল থাকে।

মোবাইল ফোনের স্পিড বাড়ানোর সহজ

উপরোক্ত পদ্ধতি গুলো মেনে চললে ফোন স্লো বা হ্যাং করবে না, এটা মোটামুটি নিশ্চিত। পোষ্টটি ভালো লাগলে সেয়ার করুন বন্ধুদের সঙ্গে । আজকের মতো এটুকুই। আপডেট থাকুন, ভালো থাকুন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *