অনন্য

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ।

বিজ্ঞানের কল্প কাহিনি বিজ্ঞানের ধারণা, বার্তা ও বৈজ্ঞানিক ভবিষ্য-চিন্তন জাতীয় ভাবনাগুলিকে চমৎকার করে জনমানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। ফিকশনের বাতাবরণে, একটা কাহিনির বুনটে বিজ্ঞান সম্বন্ধীয় ভাবনাগুচ্ছ, চিন্তাপ্রণালী কিংবা কোনো বিশেষ তত্ত্বের কাল্পনিক বহিঃপ্রকাশকে খুব সহজেই পরিবেশন করা যায়।

এটা জনসচেতনামূলক অবদান রাখতে সক্ষম। ১৯৭০ ও ১৯৮০’র দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আইজাক আসিমভ কিংবা আর্থা সি ক্লার্কের সায়েন্স ফিকশনগুলি বিজ্ঞানের প্রতি সাধারণ ছাত্রছাত্রীকে আকর্ষণ করায় একটা বড় ভূমিকা রাখে।

আসিমভের বিখ্যাত ‘ফাউন্ডেশন’ ট্রিলজি কিংবা আর্থার ক্লার্কের দুটি ট্রিলজি – ‘স্পেস ওডিসি’ এবং ‘রামা’ – বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির জগতের তিনটি পথিকৃৎ রচনা। বাংলা ভাষায় এমন পথিকৃৎ বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনি আমরা পাইনা।

সত্যজিৎ রায়ের ‘প্রোফেসর শঙ্কুর কাণ্ডকারখানা’ অনেকখানি ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সেদিক দিয়ে আমাদের দেশের প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদ কিংবা মুহম্মদ জাফর ইকবালের কোনো ট্রিলজি নেই।

অনলাইন ইনকাম কি.? পড়ুন বিস্তারিত..

হুমায়ূন আহমেদের ‘তোমাদের জন্য ভালোবাসা’ কিংবা জাফর ইকবালের ‘কপোট্রনিক সুখদুঃখ’ ছাড়া এককভাবে উল্লেখযোগ্য কোনো বিজ্ঞান কল্পকাহিনির উল্লেখ করা মুশকিল।

জাফর ইকবালের

তবে তাঁদের যৌথ এবং/অথবা একক প্রভাব অনস্বীকার্য। তাঁদের বিপুল পাঠক-প্রিয়তার ফলে দেশের শিশু-কিশোররা তাঁদের হেন লেখা নেই যে না পড়ে থাকে। এবং সেই সূত্রে তাঁরা দেদারসে তাঁদের বইয়ে বিজ্ঞান অথবা বিজ্ঞানীর রেফারেন্স নিয়ে আসেন।

এভাবে একটা প্রচ্ছন্ন প্রভাব তাঁরা রেখেছেন। বিশেষ করে অলিম্পিয়াড-সংস্কৃতি তৈরিতে মুহম্মদ জাফর ইকবালের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কাজেই একথা বলা যায়, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান কল্পকাহিনির পরিণত ধারা তৈরি এখনো বাকি এবং ২০৫০’র দশক অবধি এ ধারায় কী নতুন অবদান সংযুক্ত হবে সেটা কেবল ভবিষ্যতই বলতে পারে।

বিজ্ঞান পত্রিকার উপস্থিতি.

বিজ্ঞান পত্রিকার উপস্থিতি থাকাটা একটি জরুরি বিষয়। উপরন্তু সেটা যদি ধারাবাহিক হয় তবে তো আরো ভালো। একটি ধারাবাহিক বিজ্ঞান-পত্রিকার একটি স্থিতধি পাঠক-সমাজ থাকে। সেই পাঠকসমষ্টির একটি সামাজিক বোধ ও মেজাজ তৈরি হয়। সেটা তৈরি করে ঐ পত্রিকার লেখক-গোষ্ঠী।

এই বিজ্ঞানমোদী পাঠক-সমষ্টি সমাজে বিজ্ঞান চেতনা এবং বৈজ্ঞানিক কাণ্ডজ্ঞানের ধারক ও বাহক হয়। ফলে যেকোনো সময়ে একটি বিজ্ঞান পত্রিকার উপস্থিতি অত্যন্ত কাম্য একটি প্রপঞ্চ। দুঃখের বিষয়, নিকট-অতীতে আমাদের দেশে সেটা প্রায় শূন্যের কোঠায় চলে গিয়েছিল।

১৯৬০-৭০’র দশকে ছিল ‘বিজ্ঞান সাময়িকী’, সম্পাদক ডঃ মুহম্মদ ইব্রাহিম। এই পত্রিকাটি মোটামুটি চালু ছিল ১৯৯০ এর দশকের শেষাবধিও। শূন্য দশকে এর মুদ্রিত কপি চোখে না পড়লেও ‘বিজ্ঞান সাময়িকীর চল্লিশ বছর’ বলে একটি সংকলন প্রকাশিত হয়েছে।

তাতে দেখা যায়, ১৯৬০’র সেপ্টেম্বর থেকে জুলাই ২০০০ অবধি লেখা সংকলিত হয়েছে। ‘স্পুটনিক ও গ্যাগারিনের যুগ’ দ্বারা অনুপ্রাণিত এই সাময়িকীর ৪০ বছরের এই সংকলনটি ঐ চার দশকের একটি সামাজিক বীক্ষণও বটে।

দেখা যায়, এই বিস্তৃত সময়ে বহু শিক্ষক-অধ্যাপক-সাংবাদিক-শিক্ষার্থী বিজ্ঞান লিখতে কলম তুলেছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ঐ দীর্ঘ সময়ে এতো বিস্তৃত বিষয় নিয়ে স্বচ্ছন্দ বাংলায় লেখার মতো কয়েকশত লেখক ছিলেন!

বাংলা আর্টিকেল লিখে ইনকামে করুন/ বিস্তারিত..

এই লেখকেরা এই সমাজেরই মানুষ। কাজেই এই সমাজই এই বিষয়গুলো ধারণ করার ক্ষমতা রাখত। অথচ সেই দার্ঢ্য এই সমাজ দেখাল কৈ? শূন্য দশকে এসে ‘বিজ্ঞান সাময়িকী’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এর ফেলে যাওয়া শূন্যস্থানে আমরা আর কোনো বিজ্ঞান-পত্রিকাকে স্থায়ীভাবে দেখি না।

‘বাংলা একাডেমী বিজ্ঞান পত্রিকা’ একটা আলাদা স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখত। এটাকে ঠিক জনবোধ্য বলা যায় না। এছাড়া ‘সায়েন্স ওয়ার্ল্ড’, ‘মহাকাশ বার্তা’, ‘বিজ্ঞানের জয়যাত্রা’ এবং অন্যান্য পত্রিকা কিছুটা মশাল বহন করেছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (3)

কিন্তু বাংলার পত্রিকা স্ট্যান্ডে আবারো ধারাবাহিক একটি বিজ্ঞান পত্রিকা আসতে শুরু করে ২০১২ সালে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগঃ ১৯৮৬-৮৭ অর্থ বছর থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী  অফিসারদের তত্ত্বাবধানে দেশের উপজেলা পর্যায়ে জেলা/ উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় দেশীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবনের তথ্য জনগণকে অবগত ও উদ্ভুদ্ধ করার লক্ষ্যে  দেশে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার প্রদর্শনী আয়োজন করা হয় ।

দেশের ০৬ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক বাছাইকৃত উপজেলাসমুহে দেশে সহানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।

প্রযুক্তি প্রদর্শনীর বিষয়গুলো হচ্ছে-

(১)উন্নত চুলা.

(২)বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট.

(৩)স্বল্প ব্যয়ে দীর্ঘস্থায়ী গৃহ নির্মাণ সামগ্রী

(৪)সৌর ড্রায়ার প্রযুক্তি.

(৫) দু’কুয়া বিশিষ্ট স্বাস্থ্যসম্মত উন্নত শৌচাগার.

(৬)স্বাস্থ্য সেবায় স্পিরতলিনা.

(৭)পানি বিশুদ্ধকরণ ফিল্টার.

(৮) Malted Weaning Food.

(৯) নিম ও অন্যান্য ঔষধি উদ্ভিদের গুণাগুণ.

ইত্যাদি বিষয়সমুহের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন  প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় । এ ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রির্সাস ইনষ্টিটিউট তাদের স্ব স্ব আবিস্কৃত বিভিন্ন  প্রদর্শনী সামগ্রীর উপজেলা পর্যায়ে প্রদর্শনের আয়োজন করেন ।

সি,পি,এ (CPA)মার্কেটিং কি.? কিভাবে শুরু করবেন A-Z .

আরও মূল্যবান টিপস এবং কৌশলগুলির

 জন্য সর্বদা সাথে থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *