এডোবে ফটোশপের এগারো(১১)টি গুরুত্বপূর্ণ টুল সম্পর্কে জেনে নিন
অনন্য

এডোবে ফটোশপের এগারো(১১)টি গুরুত্বপূর্ণ টুল সম্পর্কে জেনে নিন।

আসুন ফটোসপের টুলবক্স সম্পর্কে জেনে নেই।

1- Layer Tool

layer tool

 (লেয়ার টুল) মূলত ইমেজ, টেক্সট, ব্যাকগ্রাউন্ড কালার, ফিল্টার ইত্যাদির জন্য লেয়ার টুল ব্যবহৃত হয়। এই টুলটি ব্যবহার করে ছবির বিভিন্ন অংশে আলাদা আলাদা কাজ করে একটা ফাইনাল ছবি বা ডিজাইন বা আর্ট এ পরিনত করা যায়। ছবির ওই বিভিন্ন অংশের মধ্যে যে মডিফাই বা পরিবর্তনগুলো করা হয়, সেই অংশ গুলোকেই লেয়ার বলে।

লেয়ার হচ্ছে ফটোশপের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এটি বুঝতে এবং শিখতে একটু সময় লেগে যেতে পারে, কিন্তু একবার এটা ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারলে যেকোন ডিজাইনের উপর কাজ করা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

2- Color & Swatches Tool

Color & Swatches Tool

(কালার ও শচেস টুল) কালার ও শচেস টুল এর সাহায্যে ছবির রঙ পরিবর্তন করা, কপি করা অথবা কাস্টমভাবে নিজের পছন্দানুযায়ী যেকোন ডিজাইনের উপর যেকোনো রঙ ব্যবহার করা যায়।

 

3- Custom Fonts and Text Tool

(কাস্টম ফন্টস ও টেক্সট টুল) নাম থেকেই বুঝা যাচ্ছে এই টুলের কাজ কি। যেকোন টেক্সট ফাইল এড করা যায় এবং অসংখ্য ফন্ট স্টাইলের সাহায্যে কাস্টম ভাবে যেকোন কনটেন্টের বা ডিজাইনের উপর যে কোন স্টাইলে লেখা যায় এই টুলের মাধ্যমে।

আর্টিকেল লিখে ইনকাম করুন।(২)

4- Custom Brushes and Brush Tool

(কাস্টম ব্রুশেষ এন্ড ব্রাশ টুল) ব্রাশ টুলের কাজ হলো কোন ডিজাইন, আর্ট অথবা কনটেন্ট মকে কালার দেওয়া। বিভিন্ন ধরনের ব্রাশ সেটিং এর সাহায্যে ডিজাইনের উপর কমপ্লেক্স কালার করা যায়। আরো পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে নির্দিষ্ট ভিজুয়াল ইফেক্ট অর্জন করতে চাইলে, সেটা ব্রাশ টুল ব্যবহার করেই করা সম্ভব। এছাড়া (রয়ালটি ফ্রী) কাস্টম ব্রাশ অ্যাড করা যেতে পারে।

 

5- Select Tool

Select Tool

(সিলেক্ট টুল) এই টুলের মাধ্যমে গ্রাফিক্সের মধ্যে আলাদা আলাদা এলিমেন্টকে কপি, কাট বা পেস্ট করা যায়। অর্থাৎ কিছু এলিমেন্ট সিলেক্ট করে তার মধ্যে যেকোনো কালার করা যায় এবং কপি, পেস্ট করা যায়।

 

6- Move Tool

(মুভ টুল) লেয়ারের মধ্যে ডিজাইন, ফটো অথবা আর্টকে বা ডিজাইনের বিভিন্ন অংশকে লেয়ারের মধ্যে মুভ করতে এই টুল ব্যবহৃত হয়।

 

7- Zoom Tool

(জুম টুল) নাম থেকেই এই টুলের কাজ বুঝা যাচ্ছে নিশ্চয়ই। জুম-ইন করে আরো কাছ থেকে কাজ পরিদর্শন করা যায় ফলে কাজ তুলনামূলক নিখুঁত হয় জুম আউট করে পুরো ছবিকে একসাথে দেখে কাজ যাচাই করা যায়।

ভি,পি,এন (vpn) কি ? ভি,পি,এন ব্যবহার করা কি নিরাপদ?

8- Eraser Tool

(ইরেজার টুল) ইরেজার টুলের মুল কাজ ঠিক ব্রাশ টুলের মতো, এই টুলের মাধ্যমে যেকোন দৃশ্যমান জটিল রঙ ফুটিয়ে তোলা যায়। ডিজাইনের ব্যাকগ্রাউন্ডের অপ্রয়োজনীয় অংশ যেগুলো যেগুলো ফটোর সৌন্দর্য নষ্ট করছে, সেগুলো এডিট করে দৃষ্টিনন্দন করে তোলা যায় এই টুলের মাধ্যমে। 

 

9- Crop Tool

Crop Tooli

(ক্রপ টুল) Crop tool এর কাজ খুব সহজ। ফটো, ডিজাইন বা আর্টের যে অংশটা কেটে বাদ দেয়া প্রয়োজন সেটা এই টুলের সাহায্যে করা যায়। 

 

10- Fill Tool

(ফিল টুল) এটি মূলত একটি পেইন্ট টুল। এই টুল কোন বড় অংশ পেইন্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। বড় ব্যকগ্রাউন্ড পেইন্ট করার ক্ষেত্রে ব্রাশ টুল ব্যবহার করা বেশ সময়সাপেক্ষ বিধায় এই টুলটির প্রয়োজন পড়ে।

 

11- Eyedropper Tool

(আইড্রপার টুল) এই টুল গ্রাফিক্স অথবা ফটোর কালারকে রিসিভ করার কাজে ব্যবহৃত হয়। যখন ছবির কালার match করতে smae কালার ব্যবহার করা প্রয়োজন পরে, তখন এই টুলের মাধ্যমে সেই কালার কপি করা হয়। 

প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার।

এখানে ফটোশপের উপর একটা বেসিক ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। Adobe Photoshop মূলত পেইড সফটওয়ার, তবে অনেকে এর creak ভার্সন ইউজ করে থাকেন। আপনি চাইলে ইয়ুটিউব টিউটোরিয়াল দেখে আর বাড়িতে চর্চা করে এডোবে ফটোশপ বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠতে পারেন।

পোষ্টটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধু দের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *