কিভাবে দূর করবেন ভয়ানক ইন্টারনেট আসক্তি??

যদি এমন হয়, সারাদিন ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকা, সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলি বারবার পরীক্ষা করা এবং ঘন ঘন সাইন ইন করা অনিবার্য বলে মনে করেন তবে আপনি হয়তো ইন্টারনেট আসক্তিতে ভুগছেন।

 

  ইন্টারনেটের ব্যবহারে অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে উঠা ইন্টারনেট আসক্তির অন্যতম লক্ষণ।

আরো পড়ুন…সি,পি,এ (CPA)মার্কেটিং কি.? কিভাবে শুরু করবেন A-Z {2021},

 এই আসক্তিকে মাদকের সাথে তুলনা করেছেন করা হয় কারণ এটি আপনার স্বাস্থ্য, কাজের কর্মক্ষমতা, দৈনন্দিন জীবন এবং মানসিক প্রক্রিয়াকে ড্রাগের মতো বা তার চেয়ে খারাপভভে প্রভাবিত করে। 

 

  যদি মনে করেন আপনিও একই সমস্যায় ভুগছেন বা আপনার নিকটজন এতে ভুগছে তবে এই পোষ্টটি আপনার জন্য। নিম্নে ইন্টারনেট আসক্তি দূর করার কিছু কার্যকর টিপস দেওয়া হলোঃ-

* আপনার আসক্তি আছে কিনা নিজেই যাচাই করতে হবে৷ 

নিজের সমস্যা নিজে উপলব্ধি করতে পারলে সমাধান অনেক সহজ হয়ে যায়৷  এতে করে নিজের কাছে নিজে পরিস্কার থাকা যায় এবং পুরো পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে উঠে।  এটি উন্নতির দিকে প্রথম পদক্ষেপ।

কিভাবে দূর করবেন ভয়ানক ইন্টারনেট

* স্মার্টফোনের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। 

ডিজিটাল মানে হচ্ছে, সর্বাধুনিক উপায়ে সহজে কাজ আদায় করা। যেমন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা সহজেই যোগাযোগ বজায় রাখতে পারছি। কিন্তু যদি এমন হয়, আপনি এর উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন এবং নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে হারিয়ে ফেলেছেন, তবে স্মার্টফোন ব্যবহার কমিয়ে দিন। প্রতিদিন  নির্দিষ্ট সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করুন এবং ধীরে ধীরে সময় কমিয়ে আনুন। এটি আপনাকে স্ব-নিয়ন্ত্রিত রাখবে।

 

* যোগাযোগের ধরণে পরিবর্তন আনুন।

সারাদিন বন্ধুকে মেসেজ করার বা নির্দিষ্ট কোন সাইটে সময় কাটানোর প্যাটার্ন পরিবর্তন করুন।  যতো বেশি সম্ভব পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সরাসরি সময় কাটান। ভার্চুয়াল গেমের বদলে রিয়েললাইফ গেম, যেমনঃ ক্রিকেট, ফুটবল ইত্যাদিতে মনোনিবেশ করতে পারেন।

আর্টিকেল লিখে ইনকাম করুন।(২)

* প্রাত্যাহিক রুটিন তৈরি করুন।

 

 রুটিন যে কাউকে সুসংহত ভাবে পরিচালিত হতে সাহায্য করে।  রুটিন ছাড়া জীবনে উন্নতিলাভ, এমনটা দূর্লভ। ইন্টারনেট ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময়সূচী তৈরি করা থাকলে এবং সেটা অনুসরণ করার মন মানসিকতা থাকলে অচিরেই আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ করতে পারবেন।  প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময়ের পরে ফোনের নোটিফিকেশন অফ করে রাখতে পারেন। 

 

*প্রয়োজনীয় কাজে গুরুত্বারোপ করুন।

প্রথমে প্রতিদিনকার প্রয়োজনীয় কাজসমূহ আগে করুন। ঘুম থেকে উঠেই ফোন আগে হাতে না নিয়ে বাথরুমে যান৷ ফ্রেশ হয়ে, ব্যায়াম করে নাস্তা করে অল্প সময়ের জন্য ইন্টারনেটে প্রবেশ করুন। অফিশিয়াল বা পড়াশোনার কাজ আগে শেষ করুন। 

 

*ঘরের বা বাইরের কাজে অংশ নিন।

বিনোদন অথবা সময় কাটানোর জন্য কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের বিকল্প অনেক কিছুই আছে। এছাড়াও কিছুই করার না থাকলে ক্রীড়া দল, স্বেচ্ছাসেবক প্রোগ্রাম জাতীয় সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন।

মাত্র ৩৩ পয়সা মিনিট কথা বলুন, যে কন নম্বরে। নিজের নম্বর গোপন রেখে।

তবে সর্বপ্রথম আপনি নিজে থেকে এই পরিবর্তন চাইতে হবে এবং প্রয়োজনীয় টিপস মেনে চলতে হবে। আপনাদের সুস্থ ও সুন্দর জীবন কামনায় এখানেই শেষ করছি। 

এতোটা সময় ব্যয় করে পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
পোষ্টটি ভালো লাগলে বা আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বলতে পারেন। অথবা আমাদের জন্য কন পরামর্শ থাকলে কমেন্ট জানাতে ভুলবেন না।
আমাদের মেইল করুন এই ঠিকানায় Admin@tech24update.com
আপনার বন্ধু দের সঙ্গে পোষ্টি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Leave a Comment

%d bloggers like this: