করোনা কালীন স্বাস্থ্যবিধি।

ফুসফুসের জটিলতায় ,

করোনা রোগটি মূলত ফুসফুসের সংক্রমণের রোগ। তাই সবচেয়ে আগে চেষ্টা থাকতে হবে, আমাদের ফুসফুস যেন ভালো থাকে। 

প্রতিদিন কিছুক্ষণ প্রাণায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে হবে ফুসফুস ভালো রাখতে। আমরা বাঙালি হিসেবে আশীর্বাদ ভাবতে হবে আমাদের রান্নায় ব্যবহৃত বেশিরভাগ মসলা ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করে। পেঁয়াজ, রসুন, আদা, কাঁচামরিচ, গোলমরিচ ও হলুদ- এ উপাদানগুলো ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং সুস্থ রাখতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

প্রোটিন ও পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবারগুলোও রাখতে হবে প্রতিদিনের খাবার তালিকায়।

করোনা কালীন স্বাস্থ্যবিধি

প্রচলিত স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি সংক্রমণ রোধে পর্যটকদের উৎসাহিত করা হয়েছে অনলাইনে বুকিং এবং অনলাইনে অর্থ পরিশোধে। আবার যেসব দেশের নাগরিকেরা বন্দরে নেমে ভিসা (ভিসা অন-অ্যারাইভাল) সুবিধা পেতেন, তাঁদের ক্ষেত্রে লাইনে দাঁড়িয়ে আগমনী ভিসা নেওয়ার ঝামেলা এড়াতে দেশ থেকেই ভিসা নিয়ে আসার ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে।

ট্যুর অপারেটরদের কাছে বাংলাদেশে আসার আগের ভ্রমণ ইতিহাস এবং পরবর্তী ভ্রমণ পরিকল্পনা জমা দিতে হবে বিদেশি পর্যটকদের। ভ্রমণসেবা পেতে বুকিংয়ের আগেই ভ্রমণসূচি এবং স্বাস্থ্যবিমা নিশ্চিত করার তাগিদও রয়েছে বিদেশ থেকে আগতদের। 

চিকিৎসা প্রতিবেদন বা স্বাস্থ্য সনদ বা পিসিআর রিপোর্ট বা কোভিড-১৯ নেই মর্মে প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখার কাজটিও দায়িত্ব নিয়ে করতে হবে তাদের।

                                অনলাইন-ইনকাম-2021

korona

সবগুলো নির্দেশনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কোভিড-১৯ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার ব্যাপারে। প্রচলিত স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি সংক্রমণ রোধে পর্যটকদের উৎসাহিত করা হয়েছে অনলাইনে বুকিং এবং অনলাইনে অর্থ পরিশোধে।

দেশের পর্যটকদেরও ভ্রমণ করার আগে সাধারণ স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে সচেতন হওয়া এবং যেখানে বেড়াতে যাচ্ছেন সেখানে স্বাস্থ্য সুরক্ষার উপকরণের প্রাপ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে টুরিজম বোর্ড।

 ১০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, সেবা নেওয়ার আগেই নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে হোটেল, রেস্তোরাঁ, স্থানীয় পরিবহন, গাইড, স্যুভেনির শপ, পর্যটন আকর্ষণীয় স্থানে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা দিচ্ছে কি-না। ভ্রমণে গিয়ে ভিড়, জনসমাগম ও জটিলতা এড়াতে ভ্রমণের সময়সূচি, কোনো পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশের টিকিট, আসন, বিনোদন কেন্দ্রের রাইডের টিকিট আগেই নিশ্চিত করে রাখা। 

ট্যুর অপারেটরদের মাধ্যমে গিয়ে সময়সূচির বাইরে আয়োজন পরিহার করার কথা বলা হয়েছে। কিডনি রোগী করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হলে সেটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাসসমৃদ্ধ খাবার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং প্রোটিনজাতীয় খাবার পরিমাণে কম খেতে হবে। কিন্তু তাদেরও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। 

তাই উদ্ভিজ উৎস থেকে তাদের জন্য খাবার বাছাই করতে হবে বেশি। ডিমের সাদা অংশ, চামড়া ছাড়া মুরগি, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ, রসুন, শালগম, বাঁধাকপি, মাশরুম, লাল আঙুর, আনারস, অলিভ ওয়েল কিডনি রোগীদের উপকারী খাবার যা তাদের সুস্থ রাখবে এবং তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

করোনা কালীন স্বাস্থ্যবিধি

গর্ভাবস্থায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেযদিও গর্ভাবস্থা কোনো অসুস্থতা নয় কিন্তু এ করোনা মহামারীর সময় তারা খুব অবহেলিত হচ্ছেন। 

ভয়ে অনেকে ডাক্তার বা কোনো স্বাস্থ্যসেবা নিতে যাচ্ছেন না। তাই তাদের উচিত, খাবার গ্রহণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সুস্থ থাকা। 

  আর্টিকেল লিখে ইনকাম করুন, পেমেন্ট বিকাশ, রকেট এ নিন।

তাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় প্রোটিন- যেমন দুধ, দই, ডিম, মাছ, মুরগি, বাদাম, ভিটামিন-সি, ডি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। 

পানি খেতে হবে কমপক্ষে ২ লিটার। অনেকে ভাত ও শর্করাজাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন। 

এটি না করে অন্য খাবারগুলোও রাখতে হবে প্রতিদিনের খাবার তালিকায়। হাঁটা ও কিছুটা হালকা ব্যায়াম অর্থাৎ একদম শুয়ে-বসে না থেকে কর্মক্ষম থাকতে হবে।

ভালো লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেনা না।
আমাদের জন্য কন পরামর্শ থাকলে কমেন্ট জানাবেন,
আমাদের মেইল করুন এই ঠিকানায় Admin@tech24update.com
আপনার বন্ধু দের সঙ্গে পোষ্টি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Leave a Comment

%d bloggers like this: