ইন্টারনেটে এর মালিক কে.?
অনন্য

ইন্টারনেটের মালিক কে.?????

ইন্টারনেটের মালিক কে.?

ইন্টারনেটের মালিক কে.?

বর্তমান আমরা ইন্টারনেট ছারা একটা দিন ও ভাবতে পারি না।আমরা প্রতিদিন Facebook,  twitter, linkedin, instagram, whatsapp, quora, Gmail, google, সহ কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকি ইন্টারনেট এর মাধ্যমে। কিন্তু,  একবারও কি ভেবে দেখেছেন এই বিশাল ইন্টারনেটের মালিক কে.?

অথবা কিভাবেই বা ইন্টারনেট কাজ করে.?

তো চলুন যেনে নেই এ বিষয়ে বিস্তারিত। 

ইন্টারনেটের ইতিহাস:

১৯৫০ সালে ইন্টারনেট সম্পর্কে জনসাধারণ প্রথম ধারণা প্রবর্তিত হয়েছিল, যখন কম্পিউটার বিজ্ঞান অধ্যাপক লিওনার্ড ক্রাইনরক তার গবেষণাগার ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস (ইউসিএলএ) থেকে অর্পানেটের মাধ্যমে একটি বার্তা স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআরআই) তে পাঠান।

১৯৯০ সালের মাঝামাঝি থেকে, ইন্টারনেট সংস্কৃতিতে ও বাণিজ্যে এবং কাছাঁকাছি-তাৎক্ষণিক যোগাযোগ যেমন, ইলেকট্রনিক মেইল, ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং,। 

ইন্টারনেটের মালিক কে.?

শুনে অবাক হলেও এটাই সত্য যে ইন্টারনেট-এর কন মালিক নেই।

হ্যা এটাই সত্য।

 এখন মনে প্রশ্ন আসতেই পারে তাহলে আমরা যে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য টাকা দেয় । বা MB কিনে থাকি সে সমস্ত টাকা  কোথায় যায়।আসলে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে কন টাকা লাগে না। কিন্তু এটার Maintenance {রক্ষণাবেক্ষণ} একটি ব্যপার আছে। আপনারা অনেক সময় অপটিক্যাল ফাইবারের এর কথা শুনেছেন। এই অপটিক্যাল ফাইবার 

ক্যাবেল দিয়েই বিশ্বের সমস্ত দেশ কে, এই ইন্টারনেট নামক বিশাল নেটওয়ার্ক এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।আবার অনেকই ভাবছেন ইন্টারনেট তো চলে স্যাটেলাইট মাধ্যমে। কিন্তু আপনি যানেন কি মাত্র ১% ইন্টারনেট ব্যবহার হয় স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে,  বাকি ৯৯% চলে অপটিক্যাল ফাইবার  এর মাধ্যমে। বিশ্বের বেশ কিছু কোম্পানি আছে যারা নিজস্ব অর্থায়নে সমুদ্রের নিজ দিয়ে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করে থাকে এবং মেরামত করে থাকে। এই কাজ গুলা করতে সবসময়ই দক্ষ জনবল এর প্রয়জন হয়। আর আমরা মূলত সেই সমস্ত কোম্পানিগুলো কে টাকা দিয়ে থাকি ইন্টারনেট ব্যবহার এর জন্য। 

বিশ্বে শীর্ষ থাকা এমন কিছু কোম্পানির নাম।©-®

১ ইউইউনেট (UUNET),

২ ভেরাইজন (Verizon),

৩ আইবিএম (IBM),

৪ এটিঅ্যান্ডটি (AT&T),

এখন হয়তো ভাবছেন আমি তো মোবাইল ফোন দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। আমার ফোনে তো অপটিক্যাল ফাইবার 

ক্যাবেল নাই.?🥺🤫

এখানে আপনি যে সার্ভিস প্রোভাইডার এর সেবা নেন না কনো ( GP, ROBI, AIRTEL,BL, ) তারা সবাই অপটিক্যাল ফাইবার পয়েন্টে থেকে { যেটাকে ল্যান্ডিং পয়েন্ট বলা হয়} তাদের টাওয়ার এর সংযোগ নিয়ে থাকে। আর আপনি সেই টাওয়ারের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। বাংলাদেশে এমন দুটি ল্যান্ডিং পয়েন্ট রয়েছে।

ইন্টারনেট তিন টি স্তর রয়েছে।

১. টিআর ওয়ান,

২. টিআর টু,

৩. টিআর থ্রি,

 Fiverr কি তা জানতে এই পোষ্টটি পড়ুন।

বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যাবস্থা এখন অনেক উন্নত হয়ে গেছে আর এই সবই কৃতিত্ব তার, যার নাম হলো ইন্টারনেট।

ইন্টারনেটা আসলে বিশ্বব্যাপী ছরিয়ে থাকা সবচে বড় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক , যাতে আমদের কম্পিউটার সধারনত শুধু যুক্ত হয়ে ভাচুয়ালি কিছু কাজ করার অনুমতি দেয় । সংযোগগুলো পরিচালিত হয় কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম নীতির মাধ্যমে যাকে বলা হয় {প্রটোকল} এই নিয়মগুলোই সমস্ত নেটওয়ার্কের মধ্যে সহজভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। তবে এ সবকিছুই নির্ভর করে বিশাল রাউটার পরিকাঠামো, নেটয়ার্ক এক্সেস পয়েন্ট (ন্যাপ) এবং কম্পিউটার সিস্টেমের উপর।

তারপর নেটওয়ার্ক সিগনাল প্রেরণ করার জন্য প্রয়োজন কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট), হাজার হাজার মাইল বিস্তৃত কেবল এবং সহস্র ওয়্যারলেস রাউটার। এতো কিছুর সমন্বয়ে যে বৈশ্বিক সিস্টেম গঠিত হয়েছে তা কোন কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারেনি, অতিক্রম করে চলেছে দেশের পর দেশ, সাগর মহাসাগর এবং পাহাড় পর্বত। কোন দেশের সীমানা আটকে রাখতে পারেনি এই চলমান প্রযুক্তির আশির্বাদকে। দিনের পর দিনে এটি সংযুক্ত করছে শত নেটওয়ার্ককে  […….]

এতোটা সময় ব্যয় করে পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
 পোষ্টটি ভালো লাগলে বা আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বলতে পারেন। অথবা আমাদের জন্য কন পরামর্শ থাকলে কমেন্ট জানাতে ভুলবেন না।
আমাদের মেইল করুন এই ঠিকানায় Admin@tech24update.com
আপনার বন্ধু দের সঙ্গে পোষ্টি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *